ভারতে বসেই আমেরিকার শেয়ার বাজারে লগ্নি করুন এই তিন উপায়ে
ভারতে বসে কী ভাবে আমেরিকার বাজারে বিনিয়োগ করবেন?
মূল্যবৃদ্ধির
সমস্যার মধ্যেই ডোনাল্ড ট্রাম্পের জয় আমেরিকার বাজারে
বুলিশ ভাব ফেরাতে সাহায্য
করেছে। সে দেশের স্টক
এক্সচেঞ্জের অন্যতম প্রধান সূচক এসঅ্যান্ডপি ৫০০
গত পাঁচ দিনে সাড়ে
৪ শতাংশের বেশি বেড়েছে। এ
বছরের প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে সরাসরি জড়িয়ে ছিলেন বিশ্বের ধনীতম ব্যক্তি ইলন মাস্ক। ট্রাম্পের
হয়ে শুরু থেকে গলা
ফাটিয়েছেন তিনি। মাস্কের মালিকানাধীন টেসলা ইনকর্পোরেশনের শেয়ার দর গত এক
সপ্তাহে ৩১ শতাংশের বেশি
বেড়েছে। এই পরিস্থিতিতে মার্কিন
বাজারে লগ্নি লাভজনক মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা।
কিন্তু ভারতে বসে কী ভাবে
আমেরিকার বাজারে বিনিয়োগ করবেন?
বিশ্বের
প্রথম সারির তথ্য প্রযুক্তি, হেলথকেয়ার,
কনজ়িউমার গুডস প্রস্তুতকারক সংস্থা
রয়েছে মার্কিন বাজারে। তাই এই বাজারে
বিনিয়োগের সুযোগ অনেক বেশি। ওই
বাজারে আপনাকে বিনিয়োগ করতে হবে ডলারের
মাধ্যমে। বেশ কয়েকটি উপায়ে
তা করতে পারেন আপনি।
বিদেশি
ব্রোকার বা ব্রোকারেজ সংস্থার
মাধ্যমে ট্রেডিং অ্যাকাউন্ট খুলতে পারেন। আমেরিকায় এ রকম অনেক
ফিনান্স ফার্ম আছে, যাঁরা ভারতীয়
লগ্নিকারীদের অ্যাকাউন্ট খোলে। এ ভাবে অ্যাকাউন্ট
খোলার জন্য প্রয়োজনীয় নথি
জমা দিতে হবে সে
দেশের ব্রোকারেজ ফার্মে। ভারতে থাকা আপনার ব্যাঙ্ক
অ্যাকাউন্ট থেকেই আমেরিকায় লগ্নির জন্য খোলা অ্যাকাউন্টে
টাকা ট্রান্সফার করতে পারবেন। লগ্নির
উদ্দেশ্যে বছরে সর্বোচ্চ আড়াই
লক্ষ ডলার ট্রান্সফার করা
যায়। এই পদ্ধতিতে অ্যাকাউন্ট
খুলে আপনি অনলাইন বা
অ্যাপের মাধ্যমে আমেরিকার স্টক মার্কেটে সরাসরি
শেয়ার কেনা-বেচা করতে
পারেন।
আন্তর্জাতিক
বাজারের সঙ্গে জড়িত ভারতীয় ব্রোকারেজ সংস্থার মাধ্যমেও আপনি বিনিয়োগ করতে
পারেন মার্কিন বাজারে। আইসিআইসিআই ডিরেক্ট, এইচডিএফসি সিকিউরিটিজ় এবং কোটাক সিকিউরিটিজ়ের
মতো একাধিক ভারতীয় ব্যাঙ্ক এই পরিষেবা দিয়ে
থাকে। এর মাধ্যমে ভারতে
থাকা লগ্নির প্রয়োজনীয় অ্যাকাউন্ট থেকেই বিনিয়োগ করতে পারবেন। এই
সব সংস্থার সঙ্গে বিভিন্ন মার্কিন ব্রোকারেজ সংস্থার টাই আপ রয়েছে।
তবে এই পরিষেবার জন্য
ব্রোকারেজ সংস্থাকে কমিশন দিতে হবে। কী
পরিমাণ কমিশন লাগবে তা লগ্নির আগে
আপনি দেখে নিতে পারবেন।
এ ছাড়া এক্সচেঞ্জ ট্রেডেড ফান্ড (ইটিএফ) এবং মিউচুয়াল ফান্ডের
মাধ্যমেও আপনি বিনিয়োগ করতে
পারেন আমেরিকার শেয়ার বাজারে। ভারতে এ রকম অনেক
ফান্ড রয়েছে, যেগুলি মার্কিন বাজারে লগ্নি করে। সেই সব
ফান্ডে বিনিয়োগ করলে আপনার টাকা
ঘুরপথে মার্কিন বাজারেই বিনিয়োগ হবে। মার্কিন বাজারের
লাভ-লোকসানের নিরিখেই রিটার্ন পাবেন আপনি।

Social Plugin